This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

জুমার খুতবা মাতৃভাষায় দেয়া যাবে কি?



রসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাতৃভাষা যেহেতু আরবী ছিল এবং ছাহাবীদেরও ভাষা আরবী ছিল, তাই তিনি আরবীতেই তাদেরকে নছীহত করতেন।
নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর যেহেতু কোন নবী আসবে না তাই আলেমদেরকেই মানুষকে নসিহত করতে হবে, ইসলামের দাওয়াত দিতে হবে। এজন্যই বলা হয় যে, আলেমরা হল নবীদের ওয়ারিশ। আর আমাদের দেশের আলেমরা এই দাবীটা খুব জোরালোভাবে করে। তাই খতীবদেরকে বলব যে, আপনারা নিজেদেরকে নবীদের ওয়ারিশ দাবী করবেন আর তাদের অনুসরণ করবেন না তা তো সঠিক নয়। আপনারা যদি সত্যিই নিজেদেরকে নবীদের ওয়ারিশ মনে করেন তাহলে নবীদের অনুসরণ করে আপনার মসজিদের মুসুল্লীদেরকে তাদের মাতৃভাষায় খুতবা প্রদান করুন। আর খুতবার উদ্দেশ্য তখনই সফল হবে যখন আপনি নিজ ভাষায় তা প্রদান করবেন।
এই কারণেই ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন: প্রত্যেক খতীবকে জুমার সময় তাঁর মাতৃভাষায় ওয়াজ করা ওয়াজিব বা অবশ্য কর্তব্য। (তানক্বীহুর রুওয়াত ১/২৬৪)
আল্লামা তাহাভী হানাফী বলেন: জুমার খুতবা আরবী জানলেও ফারসী ভাষায় ও চলবে। (হাশিয়া তাহতাবী আলা মারাক্বিল ফালাহ ২৭)
আল্লামা আব্দুল হাই লাখনভী হানাফী (রহ) বলেন: শ্রোতাদেরকে তাদের মাতৃভাষায় খুতবা বুঝিয়ে দেয়া জায়েজ। (মাজমূআহ ফাতাওয়া ১/২৪৫)

• হানাফী ফিক্বহ গ্রন্থ নিহায়া, মুজতাবা, ফাতাওয়া সিরাজিয়্যাহ, মুহীত প্রভৃতি গ্রন্থে আছে যে, ইমাম আবূ হানীফার মতে ফারসী ভাষাতে জুমার খুতবা দেয়া জায়েজ।
• হানাফী ফতোয়ার কিতাব শামীতে আছে, আরবী ভাষায় খুতবা দেয়া শর্ত নয়।
• হানাফী ফিকহ গ্রন্থ হিদায়ায় আছে, প্রত্যেক ভাষায় খুতবার নছীহত চলতে পারে। (কিতাবুল জুমআহ ৫৫-৫৬) (আলোচনা দ্র: আইনী তোহফা সলাতে মুস্তফা১/৯৮-৯৯)

সুতরাং যে খুতবা আরবীতে হত তারই ভাবার্থ স্থানীয় ভাষায় হলে মুসলিমদেরকে সপ্তাহান্তে একবার উপদেশ ও পথনির্দেশনা দান করার মত মহান উদ্দেশ্য সাধিত হয়।  সঊদী আরবের বরেণ্য মুফতী শাইখ ইবনে উসাইমীন(রহ:) কে আরবী ভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় খুতবা প্রদানের বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এই মাসআলায় বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে, উপস্থিত মুসল্লীগণ যে ভাষা বুঝে না সে ভাষায় জুমু’আর খুতবা প্রদান করা জায়েয নয়। যদি উপস্থিত মুসল্লীগণ অনারব হন- তাঁরা আরবী না বুঝেন, তবে তাদের ভাষাতেই খুতবা প্রদান করবে। কেননা তাদেরকে বুঝানোর জন্য এ ভাষাই হচ্ছে বক্তৃতা করার মাধ্যম। আর জুমু’আর খুতবার লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে আল্লাহর বিধি-বিধান বর্ণনা করা, তাদেরকে ওয়াজ–নসীহত করা। তবে কুরআনের আয়াত সমূহ অবশ্যই আরবী ভাষায় পাঠ করতে হবে। অতঃপর মাতৃভাষায় তাঁর তাফসীর করে দিবে। আর মাতৃভাষায় খুতবা প্রদানের দলীল হচ্ছে, আল্লাহ বলেনঃ
“আমি সব নবীকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে।” (সূরা ইবরাহীম: ৪)
এখানে আল্লাহ তা’আলা বর্ণনা করে দিলেন যে, সম্প্রদায়ের লোকেরা যে ভাষা বুঝে সে ভাষাতেই তাদের সামনে বক্তৃতা করতে হবে।(ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃষ্ঠা ৪৪৯)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহীহ হাদীস থেকেও আমরা এ বিষয় সম্পর্কে বুঝতে পারি। যেমন
একবার এক সাহাবী (রাঃ) মসজিদে প্রবেশ করে সলাত না পড়েই বসে পড়েন তখন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা বন্ধ করে সেই সাহাবীকে দু রাক’আত সলাত আদায়ের নির্দেশ দেন। (সহীহ বুখারী হা/ ৯৩০)
হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুসর রা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক জুমু’আর দিনে এক ব্যক্তি লোকদের কাতার চিরে (মসজিদে ভিতর) এল। সে সময় নাবী সাঃ খুতবা দিচ্ছিলেন। তাঁকে দেখে নাবী সাঃ বললেন, “বসে যাও, তুমি বেশ কষ্ট দিয়েছ এবং দেরী করেও এসেছ।” ( মুসনাদ আহমাদ,আবু দাউদ, সহীহ তারগীব হা/ ৭১৩ )
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরবী ভাষী ছিলেন তাই তিনি আরবীতে খুতবা দিতেন এবং প্রয়োজন হলে খুতবা বন্ধ করে মানুষকে আদেশ করতেন। তাই আমাদের খতীব সাহেবদেরকে আহ্বান জানাবো, আপনারা আমাদের ভাষাতেই খুতবা প্রদান করুন এবং প্রয়োজন হলে খুতবা বন্ধ করে মানুষকে উপদেশ দিন, আদেশ করুন। বিশেষ করে মসজিদে প্রবেশ করে দু রাক’আত সলাত আদায় করার এবং কাতার চিরে সামনে যাওয়ার বিষয়ে। এই দুইটা ভুল আমাদের দেশের অনেক মানুষই করে, বিশেষ করে কিছু বয়স্ক মানুষ আছে যাদের কাজ দেখে মনে হয় যে, প্রথম কাতার তাদের নিজেদের সম্পত্তি আর সেজন্য তাঁরা মানুষকে কষ্ট দিয়ে কাতার চিরে সামনে যায়।
বিঃ দ্রঃ নিজ ভাষায় খুতবা না দেয়ার কারণে যেহেতু তা মানুষের বোধগম্য হয় না এজন্যই এই খুতবার আগে খতীবগণ বয়ানের ব্যবস্থা রেখেছেন, যা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি জঘন্যতম বিদআত। কারণ খুতবা দানের পূর্বে বয়ান দেয়া এবং ইহাকে এভাবে স্থায়ী রূপ দেয়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আদৌ প্রমাণিত নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবার পূর্বে কখনো এ ধরণের বয়ান দেন নি। দিতে বলেছেন বলে ও কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
বর্তমানে আমাদের দেশের বেশ কিছু জামে মসজিদে মাতৃভাষায় খুতবা দেয়া হয়ে থাকে। যেমন ঢাকার উত্তরার আজমপুরে এক মসজিদে শাইখ কামাল উদ্দিন জাফরী সাহেব মাতৃভাষায় খুতবা প্রদান করে থাকেন। বস্তুত: এটাই সুন্নত। এর বিপরীত সুন্নত বিরোধী কাজ যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য



Earn money

Click here to earn money  


http://tinyurl.com/27meh8xs

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে প্রচারে ঘাটতি ছিল: অধ্যাপক মশিউজ্জামান

 শিক্ষাক্রম নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যে এর বাস্তবায়নকারী সংস্থা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান এ বিষয়ে প্রচারণায় ঘাটতি থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত যেসব পরিবর্তন এনে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে মনে করেন তিনি।

রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নিয়মিত আয়োজন ইনসাইড আউট আলোচনা অনুষ্ঠানে মশিউজ্জামান বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।

শিক্ষাক্রম প্রণয়নে নেতৃত্ব দেওয়া এনসিটিবির এই সদস্য মনে করেন, মানুষ নেতিবাচক আলোচনা বেশি শুনতে চায়। সে কারণেই সরকার সব সমালোচনার জবাব দিলেও ভুল তথ্যগুলোই বেশি প্রচার পেয়েছে।

শিক্ষাক্রম নিয়ে বিতর্ক দূর করতে সরকার ব্যাখ্যা দিয়ে গেলেও তা যথেষ্ট ছিল না, ইনসাইড আউট এর আলোচনায় স্বীকার করেন সরকারের এই কর্মকর্তা।

২০২২ সালে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পর চলতি বছর সারাদেশে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠদান শুরু হয়। আগামী শিক্ষাবর্ষে এ তালিকায় যুক্ত হবে দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।

নতুন শিক্ষাক্রমে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা না রাখা, এসএসসির আগে পাবলিক পরীক্ষা না নেওয়ার মতো একগুচ্ছ পরিবর্তন এনে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা আমূল পাল্টে দেওয়ার রূপরেখা এসেছে।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম অর্থ

 In the name of Allah, the Entirely Merciful, the Especially Merciful 

১. রহমান, রহীম(১) আল্লাহর নামে।(২)

১. সাধারণত আয়াতের অনুবাদে বলা হয়ে থাকে, পরম করুণাময়, দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। এ অনুবাদ বিশুদ্ধ হলেও এর মাধ্যমে এ আয়াতখানির পূর্ণভাব প্রকাশিত হয় না। কারণ, আয়াতটি আরও বিস্তারিত বর্ণনার দাবী রাখে। প্রথমে লক্ষণীয় যে, আয়াতে আল্লাহর নিজস্ব গুণবাচক নামসমূহের মধ্য হতে ‘আর-রাহমান ও আর-রাহীম’ এ দু'টি নামই এক স্থানে উল্লিখিত হয়েছে। ‘রহম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে দয়া, অনুগ্রহ। এই ‘রহম’ ধাতু হতেই ‘রহমান’ ও ‘রহীম' শব্দদ্বয় নির্গত ও গঠিত হয়েছে। রহমান শব্দটি মহান আল্লাহর এমন একটি গুণবাচক নাম যা অন্য কারও জন্য ব্যবহার করা জায়েয নেই। (তাবারী) কুরআন ও হাদীসে এমনকি আরবদের সাহিত্যেও এটি আল্লাহ ছাড়া আর কারও গুণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। পক্ষান্তরে ‘রহীম’ শব্দটি আল্লাহর গুণ হলেও এটি অন্যান্য সৃষ্টজগতের কারও কারও গুণ হতে পারে। তবে আল্লাহর গুণ হলে সেটা যে অর্থে হবে অন্য কারও গুণ হলে সেটা সে একই অর্থে হতে হবে এমন কোন কথা নেই। প্রত্যেক সত্তা অনুসারে তার গুণাগুণ নির্দিষ্ট হয়ে থাকে। এখানে একই স্থানে এ দুটি গুণবাচক নাম উল্লেখ করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কোন কোন তাফসীরকার বলেছেন যে, আল্লাহ ‘রহমান’ হচ্ছেন এই দুনিয়ার ক্ষেত্রে, আর ‘রাহীম’ হচ্ছেন আখেরাতের হিসেবে। 

বর্তমান শিক্ষা নিয়ে মন্তব্য


রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর পরীবাগে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পরিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত পাঠ্যাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।


নতুন শিক্ষাক্রম জোর করে চাপিয়ে দেয়া নয় উল্লেখ করে দীপুমনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে ভয়ানক অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। তাদের গোষ্ঠীগত স্বার্থসিদ্ধির জন্যই এসব প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নির্বাচনের মৌসুমের কারণে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু রাজনৈতিক পক্ষ। তাদের মধ্যে রয়েছে অতি ডান, অতি বাম। তারা উস্কানি দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়ানক অপপ্রচার চলছে। এমনকি ধর্মীয় বিষয় নিয়েও উস্কানি দেয়া হচ্ছে। এজন্য শিক্ষাক্রমের সঙ্গে কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট নয় এমন ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এমনকি পুরোনো ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিডিও তৈরি করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময় নিজেদের মধ্যে মজার ছলে বানানো ভিডিওকে শিক্ষাক্রমের ভিডিও বলে চালানো হচ্ছে।